কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০১৯ এ ১০:০৬ PM
কন্টেন্ট: পাতা
জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক,ছোটগল্পকার,নাট্যকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক
জন্মঃ ১৩ নভেম্বর ১৯৪৮ খ্রিঃ
মৃত্যুঃ ১৯ জুলাই, ২০১২
হুমায়ূন আহমেদ(জন্মঃ নভেম্বর ১৩, ১৯৪৮- মৃত্যুঃ ১৯ জুলাই, ২০১২) বিংশ শতাব্দীর বাঙ্গালী জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার এবং নাট্যকার। বলা হয়, বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের তিনি পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। ২০১১ পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অতুলনীয় জনপ্রিয়তা সত্বেও তিনি অন্তরাল জীবন-যাপন করেন এবং লেখলেখি ও চিত্রনির্মাণের কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখেন। তাঁর বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী তাকে আটক করে এবং নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। ২০১১-এর সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর দেহে আন্ত্রীয় ক্যান্সার ধরা পড়ে। তবে টিউমার বাইরে ছড়িয়ে না-পড়ায় সহজে তাঁর চিকিৎসা সম্ভব হয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন। হুমায়ূন আহমেদ ২০১২ খ্রিস্টাব্দের শুরুতে জাতিসংঘে বাংলাদেশ দূতাবাসে সিনিয়র স্পেশাল অ্যাডভাইজারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ১৩ই নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন।তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুনতাঁর পিতা একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন এবং তিনি ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পিরোজপুর মহকুমার এসডিপিওহিসেবে কর্তব্যরত অবস্থায় শহীদ হন। তাঁর বাবা লেখালিখি করতেন ও পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ করতেন। বগুড়া থাকার সময় তিনি একটি গ্রন্থও প্রকাশ করেছিলেন। গ্রন্থের নাম দ্বীপ নেভা যার ঘরে।তাঁর অনুজ মুহম্মদ জাফর ইকবাল দেশের একজন বিজ্ঞান শিক্ষক এবং কথাসাহিত্যিক; সর্বকনিষ্ঠ ভ্রাতা আহসান হাবীব রম্য সাহিত্যিক এবং কার্টুনিস্ট।
ছোটকালে হুমায়ূন আহমেদের নাম রাখা হয়েছিল ছিল শামসুর রহমান; ডাকনাম কাজল। তাঁর পিতা স্বীয় নাম ফয়জুর রহমানের সাথে মিল রেখে ছেলের নাম রাখেন শামসুর রহমান। পরবর্তীতে তিনি নিজেই নাম পরিবর্তন করে হুমায়ূন আহমেদ রাখেন। হুমায়ূন আহমেদের ভাষায়, তাঁর পিতা ছেলে-মেয়েদের নাম পরিবর্তন করতে পছন্দ করতেন। তাঁর ছোট ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবালের নাম আগে ছিল বাবুল এবং ছোটবোন সুফিয়ার নাম ছিল শেফালি।
হুমায়ূন আহমেদের প্রথমা স্ত্রীর নাম গুলতেকিন আহমেদ। তাঁদের বিয়ে হয় ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে। এই দম্পতির তিন মেয়ে এবং দুই ছেলে। তিন মেয়ের নাম বিপাশা আহমেদ, নোভা আহমেদ, শীলা আহমেদ এবং ছেলের নাম নুহাশ আহমেদ। অন্য আরেকটি ছেলে অকালে মারা যায়। ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যভাগ থেকে শীলার বান্ধবী এবং তার বেশ কিছু নাটক-চলচ্চিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী শাওনের সাথে হুমায়ূন আহমেদের ঘনিষ্ঠতা জন্মে। এর ফলে সৃষ্ট পারিবারিক অশান্তির অবসানকল্পে ২০০৫-এ গুলতেকিনের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয় এবং ঐ বছরই শাওনকে বিয়ে করেন। এ ঘরে তাদের তিন ছেলে-মেয়ে জন্মগ্রহণ করে। প্রথম ভূমিষ্ঠ কন্যাটি মারা যায়। ছেলেদের নাম নিষাদ হুমায়ূন ও নিনিত হুমায়ূন। ২০১১-এর সেপ্টেম্বের মাসে সিঙ্গাপুরে ডাক্তারী চিকিৎসার সময় তাঁর আন্ত্রীয় ক্যান্সার ধরা পড়ে। তিনি নিউইয়র্কের মেমোরিয়াল স্লোয়ান-কেটরিং ক্যান্সার সেন্টারে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
শিক্ষা এবং কর্মজীবন
তাঁর বাবা চাকুরী সূত্রে দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেছেন বিধায় হুমায়ূন আহমেদ দেশের বিভিন্ন স্কুলে লেখাপড়া করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বগুড়া জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেন এবং রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে সব গ্রুপে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। তিনি পরে ঢাকা কলেজে ভর্তি হনএবং সেখান থেকেই বিজ্ঞানে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন শাস্ত্রে অধ্যয়ন করেন এবং প্রথম শ্রেণীতে বিএসসি (সম্মান) ও এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। পরে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পলিমার রসায়ন বিষয়ে গবেষণা করে পিএইচডি লাভ করেন। তাঁর কর্মজীবন শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে অধ্যাপনার মধ্য দিয়ে। পরবর্তীতে তিনি অধ্যাপনা ছেড়ে লেখালেখি, নাটক নির্মাণ এবং চলচ্চিত্র নির্মাণে সম্পূর্ণভাবে আত্মনিয়োগ করেন।
সাহিত্যকৃতি
ছাত্র জীবনে একটি নাতিদীর্ঘ উপন্যাস রচনার মধ্য দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যজীবনের শুরু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হলের সাথে সম্পৃক্ত ছাত্র হুমায়ূন আহমেদের এই উপন্যাসটির নাম নন্দিত নরকে। ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে উপন্যাসটি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। ১৯৭২-এ কবি-সাহিত্যিক আহমদ ছফার উদ্যোগে উপন্যাসটি খান ব্রাদার্স কর্তৃক গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রখ্যাত বাঙলা ভাষাশাস্ত্র পণ্ডিত আহমদ শরীফ স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে এ গ্রন্থটির ভূমিকা লিখে দিলে বাংলাদেশের সাহিত্যামোদী মহলে কৌতূহল সৃষ্টি হয়। শঙ্খনীল কারাগার তাঁর ২য় গ্রন্থ। এ পর্যন্ত (২০০৯) তিনি দুই শতাধিক গল্পগ্রন্থ ও উপন্যাস প্রকাশনা করেছেন। তাঁর রচনার প্রধান কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম হলো 'গল্প-সমৃদ্ধি'। এছাড়া তিনি অনায়াসে ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে অতিবাস্তব ঘটনাবলীর অবতারণা করেন যাকে একরূপ যাদু বাস্তবতা হিসেবে গণ্য করা যায়। তাঁর গল্প ও উপন্যাস সংলাপপ্রধান। তাঁর বর্ণনা পরিমিত এবং সামান্য পরিসরে কয়েকটি মাত্র বাক্যের মাধ্যমে চরিত্র চিত্রণের অদৃষ্টপূর্ব প্রতিভা তাঁর রয়েছে। যদিও সমাজসচেতনতার অভাব নেই তবু লক্ষ্যণীয় যে তাঁর রচনায় রাজনৈতিক প্রণোদনা অনুপস্থিত। সকল রচনাতেই একটি প্রগাঢ় শুভবোধ ক্রিয়াশীল থাকে; ফলে 'ভিলেইন' চরিত্রও তাঁর লেখনীতে লাভ করে দরদী রূপায়ণ। অনেক রচনার মধ্যে তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং উপলব্ধির প্রচ্ছাপ লক্ষ্য করা যায়। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস মধ্যাহ্ন তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে পরিগণিত। এছাড়া জোছনা ও জননীর গল্প আরেকটি বড় মাপের রচনা যা কি-না ১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ অবলম্বন করে রচিত। তবে সাধারণত তিনি সমসাময়িক ঘটনাবলী নিয়ে লিখে থাকেন।
ঢাকা শহরের অভিজাত আবাসিক এলাকা ধানমন্ডীর ৩/এ রোডে নির্মিত দখিন হাওয়া এ্যাপার্টমেন্টের একটি ফ্লাটে বর্তমানে তিনি বসবাস করছেন। আর ঢাকার অদূরে গাজীপুরের গ্রামাঞ্চলে স্থাপিত বাগান বাড়ী নূহাশ পল্লীতে কাটে তার বেশীর ভাগ সময়। তিনি বিবরবাসী মানুষ; তবে মজলিশী। রসিকতা তার প্রিয়। তিনি ভণিতাবিহীন। নিরবে মানুষের স্বভাব-প্রকৃতি ও আচার-আচরণ পর্যবেক্ষণ করা তার শখ। তবে সাহিত্য পরিমণ্ডলের সঙ্কীর্ণ রাজনীতি বা দলাদলিতে তিনি কখনো নিজেকে জড়িয়ে ফেলেননি। তিনি স্বল্পবাক, কিছুটা লাজুক প্রকৃতির মানুষ এবং বিপুল জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও অন্তরাল জীবন-যাপনে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তিনি ছবি এঁকেও অবসর সময় কাটাতে ভালবাসেন। তিনি অত্যন্ত অভিমানী প্রকৃতির মানুষ। স্ত্রী গুলতেকিনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদের পর আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের কাছ থেকে যে বৈরীতামূলক ব্যবহার পেয়েছেন তা তাঁকে ব্যথিত করেছে। হৃদরোগের কারণে তিনি প্রায়শঃ মৃত্যুচিন্তায় মগ্ন হয়ে পড়েন। বাংলাদেশে তাঁর প্রভাব তীব্র ও গভীর; এজন্যে জাতীয় বিষয়ে ও সঙ্কটে প্রায়ই তাঁর বক্তব্য সংবাদ মাধ্যমসমূহ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করে থাকে।
হুমায়ূন আহমদের গান বলতে বাঙলা ভাষার অন্যতম প্রধান কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ রচিত গান বোঝানো হয়ে থাকে। হুমায়ূন আহমেদ মূলতঃ গান রচয়িতা বা গীতিকার নন। কেবল নাটক ও চলচ্চিত্রের প্রয়োজনে তিনি গান রচনা করে থাকেন। তার অনেকগুলো গান বেশ জনপ্রিয়। এসবের অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে।
টেলিভিশনের জন্য একের পর এক দর্শক-নন্দিত নাটক রচনার পর হুমায়ূন আহমেদ ১৯৯০-এর গোড়ার দিকে চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন। তাঁর পরিচালনায় প্রথম চলচ্চিত্র আগুনের পরশমণি মুক্তি পায় ১৯৯৫ সালে। ২০০০ সালে শ্রাবণ মেঘের দিন ও দুই দুয়ারী চলচ্চিত্র দুটি প্রথম শ্রেনীর দর্শকদের কাছে দারুন গ্রহণযোগ্যতা পায়। ২০০৩-এ নির্মান করেন চন্দ্রকথা নামে একটি চলচ্চিত্র। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মান করেন শ্যামল ছায়া চলচ্চিত্রটি। এটি ২০০৬ সালে "সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র" বিভাগে একাডেমি পুরস্কার এর জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। এছাড়াও চলচ্চিত্রটি কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়। তাঁর সব চলচ্চিত্রে তিনি নিজে গান রচনা করেন। সর্বশেষ ২০০৮-এ আমার আছে জল চলচ্চিত্রটি তিনি পরিচালনা করেন।
এছাড়াও হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র। এর মধ্যে ২০০৬ সালে মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত দুরত্ব, বেলাল আহমেদ পরিচালিত নন্দিত নরকে এবং আবু সাইদ পরিচালিত নিরন্তর। ২০০৭-এ শাহ আলম কিরণ পরিচালিত সাজঘর এবং তৌকির আহমেদ নির্মাণ করেন বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র দারুচিনি দ্বীপ।
১৯৮০-এর দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য নাটক রচনা শুরু করেন তিনি। এটি তাকে রাতারাতি জনপ্রিয় করে তোলে।
তার অন্যতম ধারাবাহিক নাটক -
এদের বেশিরভাগই ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ এর দশকে নির্মিত। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি বহু প্যাকেজ নাটক নির্মাণ করেছেন।
পুরস্কার
অ
অচিনপুর
অন্যভূবন
অপেক্ষা-১
অপেক্ষা-২
অয়োময়-১
অয়োময়-২
অন্ধকারের গান
অদ্ভূত সব গল্প
আ
আশাবরী
আয়নাঘর
অনন্ত নক্ষত্রবিথী
আকাশজোড়া মেঘ
আমার আছে জল
আঙ্গুল কাটা জগলু
আমি এবং আমরা
আজ হিমুর বিয়ে
আজ চিত্রার বিয়ে
আমিই মিসির আলী
আজ আমি কোথাও যাব না
আমি এবং কয়েকটি প্রজাপতি
আজ দুপুরে তোমার নিমন্ত্রন
আসমানীরা তিন বোন-১
আসমানীরা তিন বোন-২
আসমানীরা তিন বোন-৩
আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প-১
আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প-২
আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প-৩
ই
ইরিনা
উ
উড়ালপঙ্খী
এ
এলেবেলে
এবং হিমু
একি কান্ড
এই শুভ্র এই!
একজন মায়াবতী
এই মেঘ রৌদ্র ছায়া
একজন হিমু এবং কয়েকটি ঝিঁ ঝিঁ পোকা
এলেবেলে-১
এলেবেলে-২
এই আমি-১
এই আমি-২
ও
ওমেগা পয়েন্ট
ক
কূহক
কৃষ্ণপক্ষ
কিছুক্ষন
কুটু মিয়া
কিছু শৈশব
কে কথা কয়
কবি -১
কবি -২
কবি -৩
কোথাও কেউ নেই-১
কোথাও কেউ নেই-২
কহেন কবি কালিদাস -১
কহেন কবি কালিদাস -২
গ
গৌরীপুর জংশন
চ
চক্ষে আমার তৃষ্ণা
চলে যায় বসন্তের দিন
চাঁদের আলোয় কয়েকজন যুবক
ছ
ছেলেটা
ছায়াবিথী
ছোট গল্প
জ
জলপদ্ম-১
জলপদ্ম-২
জল ও জোছনা
জলিল সাহেবের পিটিশন
জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাই স্কুল
জোছনা ও জোনাকীর গল্প [প্রথম খণ্ড]
জোছনা ও জোনাকীর গল্প [দ্বিতীয় খণ্ড]
জোছনা ও জোনাকীর গল্প [তৃতীয় খণ্ড]
ত
তোমাকে
তন্দ্রাবিলাস
তারা তিন জন
তেঁতুল বনে জোছনা
তিথীর নীল তোয়ালে
তোমাদের জন্য ভালবাসা
তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রনে
দ
দেবী
দুই-দুয়ারী
দ্বিতীয় মানব
দারুচিনি দ্বীপ
দি এক্সরসিস্ট
দরজার ওপাশে
দেখা না দেখা
ন
নিষাদ
নির্বাসন
নিশিথীনি
নীল হাতি
নীল অপরাজিতা
নির্বাচিত ভূতের গল্প
প
পাপ
পোকা
পুতুল
পারাপার
পুত্র নিষাদ
পিলখানা হত্যাকান্ড
পাখি আমার একলা পাখি
পারুল ও তিনটি কুকুর -১
পারুল ও তিনটি কুকুর -২
ফ
ফীহা সমীকরণ
ব
বিপদ
বাসর
বৃহন্নলা
বহুব্রিহী
বলপয়েন্ট
বৃষ্টিবিলাস
বোতল ভূত
বৃষ্টি ও মেঘমালা -১
বৃষ্টি ও মেঘমালা -২
বাঘবন্দী মিসির আলী
বাদল দিনের দ্বিতীয় কদম ফুল
ভ
ভয়
ম
মৃন্ময়ী
মানবী
ময়ূরাক্ষী
মজার ভূত
মেঘের ছায়া
মিসির আলীর চশমা
মৃন্ময়ীর মন ভালো নেই
ময়ূরাক্ষীর তীরে প্রথম হিমু
মিসির আলী আপনি কোথায়
মিসির আলীর অমীমাংসিত রহস্য
মধ্যাহ্ন -১.১
মধ্যাহ্ন -১.২
মধ্যাহ্ন -২.১
মধ্যাহ্ন -২.২
মেঘ বলে চৈত্রে যাব -১
মেঘ বলে চৈত্রে যাব -২
য
যদিও সন্ধ্যা
র
রূপার পালঙ্ক
ল
লিলুয়া বাতাস
লীলাবতী -১
লীলাবতী -২
লীলাবতী -৩
শ
শুভ্র
শূন্য
শ্যামল ছায়া
শঙ্খনীল কারাগার
শীত ও অন্যান্য গল্প -১
শীত ও অন্যান্য গল্প -২
স
সৌরভ
সাজঘর
সে ও নর্তকী
সেদিন চৈত্রমাস
সে আসে ধীরে
সবাই গেছে বনে
সকল কাঁটা ধন্য করে -১
সকল কাঁটা ধন্য করে -২
সকল কাঁটা ধন্য করে -৩
হ
হিমু
হিমু মামা
হিমু রিমান্ডে
হরতন-ইস্কাপন
হিমুর মধ্যদুপুর
হিমুর রূপালী রাত্রি
হিমুর দ্বিতীয় প্রহর
হলুদ হিমু কাল rab
হিমুর একান্ত সাক্ষাৎকার
হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম
সংখ্যা
১৯৭১
মৃত্যুঃ
২০১২ সালের ১৯ জুলাই বাংলা সাহিত্যের এ প্রবাদ প্রতীম মনীষী কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্কে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।